ম্যাগির পর এবার কাঠগড়ায় নেসলে

0
Loading...

প্রথমে ম্যাগি নুডুলস নিয়ে কাঠগড়ায় গেলেও তার ক্লিয়ারেন্স মিলেছে। কিন্তু নেসলের তাতেও স্বস্তি মেলেনি। এবার পাস্তা নিয়ে কাঠগড়ায় সংস্থাটি। কারণ পাস্তার নমুনায় এবার মাত্রাতিরিক্ত সিসা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভারতের উত্তরপ্রদেশ সরকারি পরীক্ষাগারেও এর প্রমাণ মিলেছে।

১০ জুন লখনউয়ে নেসলের ডিস্ট্রিবিউটর শ্রীজি ট্রেডার্সের কাছ থেকে মেলা পাস্তার নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় ন্যাশনাল ফুড অ্যানালিসিস ল্যাবরেটরিতে। উত্তরপ্রদেশের ড্রাগ আধিকারিক অরবিন্দ যাদব জানিয়েছেন, ২ সেপ্টেম্বর পাওয়া ওই রিপোর্ট থেকে পাস্তায় মাত্রাতিরিক্ত সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যেখানে সাধারণ মাপ ২.৫ পিপিএম, সেখানে এর মাত্রা মিলেছে ৬ পিপিএম।

নেসলের মোদিনগর শাখায় এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হলেও তা ফেরত এসেছে বলে জানিয়েছেন অরবিন্দ যাদব। তিনি বলেন, ‘১২ অক্টোবর লখনউ এর ফুড কমিশনারকেও এ সম্পর্কে জানানো হয়েছে।’ এ বিষয়ে মামলা করার কথা ভাবা হচ্ছে বলেও জানান যাদব।

তবে নেসলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করা হয়েছে, তাদের তৈরি পাস্তা ১০০ শতাংশ নিরাপদ। অবশ্য ম্যাগির বেলায়ও একই কথা বলেছিল প্রতিষ্ঠানটি।

প্রসঙ্গত, এর আগে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করার অভিযোগ নিয়ে ইউরোপ-জুড়ে তুলকালাম ছিলো নেসলের বিরুদ্ধে ।এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় সর্বশেষ অভিযুক্ত হিসেবে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নেসলের নাম।

খাদ্য-পণ্যে ঘোড়ার মাংসের অস্তিত্ব আবিষ্কার হবার পর নেসলে বাজার থেকে বেশ কিছু পণ্য সরিয়ে নিয়েছে।

সুইজারল্যান্ডে নেসলের সদর দপ্তর থেকে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি তখন জানায় , গরুর মাংসের র‍্যাভিওলি, টরটেলিনি এবং ল্যাসানিয়া-এই তিন ধরণের খাবার তারা বাজার থেকে তুলে নিয়েছে।

এর আগে এক পরীক্ষায় ধরা পড়ে যে এই খাবার গুলোতে শতকরা এক ভাগেরও বেশী ঘোড়ার মাংসের অস্তিত্ব রয়েছে।

নেসলের একজন মুখপাত্র বলছেন, একটি জার্মান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠানো খাদ্যদ্রব্যে এই সমস্যাটি ধরা পড়েছে।

এখন তারা গরুর মাংস ব্যাবহার করা হয় এমন প্রতিটি খাদ্যপন্য তারা পরীক্ষা করে দেখছে।

একদিন আগেই নেসলে ঘোষণা দিয়েছিলো যে ইউরোপ-জুড়ে তুলকালাম বাধানো ঘোড়ার মাংস কেলেঙ্কারি থেকে মুক্ত তারা।

আর তার একদিন পরেই এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে বাজার থেকে তাদের পণ্য তুলে নেবার ঘোষণা প্রমাণ করছে যে গরুর মাংসের নাম করে ঘোড়ার মাংস বিক্রির ঘটনা যতটা ধারণা করা হয়েছিলো তার চাইতেও ব্যাপক।

সমালোচকরা বলছেন, এর দ্বারা একটি বিষয় স্পষ্ট হচ্ছে, যে খাদ্য শিল্প কতটা অনিয়ন্ত্রিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এখন পর্যন্ত ইউরোপের বারোটি দেশে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে চালানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে নেসলের উৎস-দেশ সুইজারল্যান্ডও রয়েছে। সেখানে নির্ভেজাল এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক খাবারের জন্য বিখ্যাত সুইস প্রতিষ্ঠান কুপ সোমবার বাজার থেকে অন্তত নয়টি খাদ্য-পণ্য সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।

সুইস কর্তৃপক্ষ এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনতে যাচ্ছে বলেও খবরে জানা যাচ্ছে।

বিঃ দ্রঃ প্রতিদিন মজার মজার রান্নাকরার অসাধারন সব রেসিপি এবং রুপ লাবণ্য টিপস আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে আমাদের দুটি পেজ লাইক দিন!

রান্নাকরার অসাধারন সব রেসিপি

মজার রেসিপি/ রুপ লাবণ্য

Share.
[X]