কাঠের গুঁড়া, ধানের তুষের সঙ্গে রং মিশিয়ে মসলা তৈরি!

0
Loading...

পাবনার বেড়া পৌরসভার দক্ষিণপাড়া মহল্লায় আজ শনিবার ভেজাল মসলা তৈরির কারখানা অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময়  ভেজাল মরিচ ও হলুদের গুঁড়া তৈরির দায়ে কারখানার মালিক দেলোয়ার হোসেনকে (৪০) ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ, দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

র‍্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, র‌্যাব ১২-এর সিপিসি-২, পাবনা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনার বেড়া থানাধীন দক্ষিণপাড়ায় একটি ভেজাল মরিচের গুঁড়া তৈরির কারখানার সন্ধান পায়। র‌্যাব আরো জানতে পারে যে ওই কারখানার মালিক মো. দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভেজাল মরিচ ও হলুদের গুঁড়া প্রস্তুত ও বাজারজাত করে আসছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে আজ দুপুর ১২টার দিকে উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. এনামুল হকের নেতৃত্বে র‌্যাব-১২, পাবনার একটি আভিযানিক দল ওই কারখানায় অভিযান চালায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাঠের গুঁড়া, ধানের তুষ, পঁচা মরিচ ও বিভিন্ন প্রকার রং মিশিয়ে ভেজাল মরিচ ও হলুদের গুঁড়া প্রস্তুত করতে দেখতে পায়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ভেজাল মরিচ ও হলুদের গুঁড়া প্রস্তুত ও বিপনণের অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হামিদুর রহমান কারখানার মালিক দেলোয়ার হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪২ ধারায় ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ, দুই লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের  আদেশ দেন।

এ ছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই কারখানা থেকে ২০ বস্তা ভেজাল মরিচের গুঁড়া, ২০ বস্তা পঁচা মরিচ ও ২০ বস্তা ভেজাল হলুদের গুঁড়া জব্দ করে। পরে ভেজাল মসলা জনসম্মুখে বেড়া হুড়াসাগর নদে ফেলে নষ্ট করে দেওয়া হয়। আর দণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি দেলোয়ার হোসেনকে পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিঃ দ্রঃ প্রতিদিন মজার মজার রান্নাকরার অসাধারন সব রেসিপি এবং রুপ লাবণ্য টিপস আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে আমাদের দুটি পেজ লাইক দিন!

রান্নাকরার অসাধারন সব রেসিপি

মজার রেসিপি/ রুপ লাবণ্য

Share.
[X]