স্লিম থাকতে হলে,,আর দেরি নয় ! এখন থেকে এই কাজ গুলো করুন,, অব্যশই ভল ফল পাবেন !

0
Loading...

আমরা ওজন কমাতে চাই, স্লিম থাকতে চাই। ভালো কথা। এজন্য খাদ্যের দিকে কেবল নজর, কিন্তু  কী পানীয় গ্রহণ করছি সেদিকে তেমন লক্ষ্য নেই। বড় ভুল। আমেরিকানরা প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করেন এর এক পঞ্চমাংস আসে পানীয় থেকে। আমাদের দেশেও প্রচুর পানীয় বিশেষ করে কোমল পানীয় পান করেন লোকজন, বিশেষকরে তরুণরা। সঠিক পানীয় উদ্দীপ্ত করে বিপাক, কমায় ক্ষুধা, কমায় মোট ক্যালোরি। কিছু কিছু পানীয় তাই হিতকর আবার  কোনও কোনওটি ক্ষতিকর। বিশেষ করে ওজন হ্রাসের জন্য।

সোডা জাতীয় পানীয় মোটেই হিতকর নয় : প্রতিবার এক বোতল সোডা পান মানে শত শত শূন্য ক্যালোরি গ্রহণ। অনেকে ডায়েট সোডার কথা বলেন তবে এতে লাভ হয় তেমন একটা হয় বলে মনে হয় না।

সব চেয়ে হিতকর হলো ‘পানি পান’ : কার্বনেটেড কোমল পানীয়ের বদলে ‘কেবল পানি পান’ করলে প্রতি দিনে শত শত ক্যালোরি গ্রহণ থেকে বাঁচা যায়। হিত এখানেই শেষ হয় না। খাওয়ার আগে দুগ্লাস পানি পান করলে পাকস্থলী অনেক দ্রুত ভরাট বোধ করে, তাই খাওয়া হয় কম। এছাড়া নতুন গবেষণায় দেখা যায়, প্রচুর পানি পান করলে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে দেহ বিপাকের উপর।

ফলের রস : ফলের রসে ক্যালোরি বেশ বেশি থাকে ঠিক তবে তা শূন্য ক্যালোরি নয় সোডার মত। এতে আছে পুষ্টি উপকরণ। বাড়তি চিনির সঙ্গে ভিটামিনও এন্টি অক্সিডেন্টও লাভ করা হয়। একটি বিকল্প ১০০% ফলের রস। কেবল ফলের রস এর সঙ্গে বাড়তি মিষ্টি যোগ না করলে হয়। আবার ফলের রসের সঙ্গে পানি মিলিয়ে পান করলেও কিছু ক্যালোরি কমে।

সবজির রস বেশ ভালো : সবজির রস বেশ পুষ্টিকর, ফলের রসের অর্ধেক ক্যালোরি। এক কাপ টমেটো জুসে আছে ৪১ ক্যালোরি, কমলার রসে সে পরিমাণে রয়েছে ১২২ ক্যালোরি। ফলের নরম শাস বা সবজির শাস সহ জুসে আঁশও পাওয়া যায় ভালো। বাজারে ভেজিটেবল মকেটল বেরিয়েছে এগ্রোভিত্তিক, খামার যারা করেন এদের তৈরি। খেতে মন্দ লাগলো না। ক্ষুধাও কমে যায়।

বিঃ দ্রঃ প্রতিদিন মজার মজার রান্নাকরার অসাধারন সব রেসিপি এবং রুপ লাবণ্য টিপস আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে আমাদের দুটি পেজ লাইক দিন!

রান্নাকরার অসাধারন সব রেসিপি

মজার রেসিপি/ রুপ লাবণ্য

Share.
[X]